01:07:44 am
Saturday, August 22

ইউক্রেন ইস্যুতে জার্মানিতে বিশ্ব নেতৃবৃন্দের বৈঠক

ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে শুক্রবার জার্মানিতে বৈঠকে বসেছেন বিশ্ব নেতৃবৃন্দ এবং শীর্ষ সেনা কর্মকর্তরা। তারা এমন সময় এ বৈঠকে বসেছেন, যখন বিশেষ সামরিক অভিযান শুরুর বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ইউক্রেনে আরও ভয়াবহ হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে রাশিয়া। খবর রয়টার্সের। এদিকে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, এক ইঞ্চি ভূখ-ও রাশিয়াকে ছেড়ে দেবে না তার দেশ। তবে একজন মার্কিন সেনা কর্মকর্তা মন্তব্য করেছেন, এই যুদ্ধে কেউই জিতবে না। 
 
পূর্বাঞ্চলীয় বাখমুত শহরটি নিয়ে কঠিন পরিস্থিতিতে আছে ইউক্রেন। গত কয়েক দিনে এই শহরটির কিছু এলাকা দখল করে নিয়েছে রুশ বাহিনী। উভয় পক্ষের কাছে শহরটি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ বাখমুত কয়লাখনির জন্য বিখ্যাত। দোনেস্কে ভয়াবহ গোলাবর্ষণ করে যাচ্ছেন রুশ সেনারা। অঞ্চলটির অর্ধেক এখন তাদের নিয়ন্ত্রণে। কিন্তু তাদের মূলশক্তি নিয়োগ করেছে বাখমুতে। শহরটির পূর্বের শহরতলি তাদের নিয়ন্ত্রণে।
 
ইউক্রেন দাবি করেছে, বৃহস্পতিবার রাশিয়ার ছোড়া ৩৬টি ক্ষেপণাস্ত্রের মধ্যে ১৬টি তারা ভূপাতিত করেছে। তবে এ ব্যাপারে রাশিয়া কোনো মন্তব্য করেনি। রাশিয়ার হামলা ঠেকাতে পশ্চিমাদের কাছে দ্রুত আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা চেয়েছে ইউক্রেন। সে দেশের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার বিশেষ সামরিক অভিযানের বছরপূর্তি উপলক্ষে বিবিসিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, রাশিয়াকে ভূখ- ছেড়ে দিলে, তারা আরও ভূখ-ের জন্য ‘বারবার আসতে থাকবে’।
 
কেউই জিতবে না, বললেন মার্কিন শীর্ষ সেনা কর্মকর্তা : যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর জয়েন্ট চিফস অব স্টাফের চেয়ারম্যান জেনারেল মার্ক মিলে মন্তব্য করেছেন, ইউক্রেনে চলমান যুদ্ধ বন্ধের একমাত্র কৌশল কূটনৈতিক উপায়ে শান্তি চুক্তি করা।  বৃহস্পতিবার প্রকাশিত যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘ইউক্রেনে সামরিক উপায়ে রাজনৈতিক স্বার্থ অর্জন রাশিয়ার পক্ষে প্রায় অসম্ভব। রাশিয়া ইউক্রেন দখল করে নেবে এমন চিন্তা অবাস্তব।’ তবে তার এমন মতের পক্ষে সুস্পষ্ট কোনো কারণ উল্লেখ করেননি জেনারেল মিলে।
 
জেনারেল মিলে আরও বলেন, যুদ্ধরত রুশ সেনাদের চলতি বছরের মধ্যে ইউক্রেন থেকে বিতাড়িত করাও ‘খুবই কঠিন’ হবে। একই সঙ্গে রাশিয়ার দখলে যাওয়া ইউক্রেনীয় ভূখ-গুলো পুনরুদ্ধার করাটাও খুব কঠিন হবে।
 
 
Share this post

Join the conversation