06:04:25 am
Wednesday, June 24

ফুটবল বিশ্বকাপ শেষ, তারপর?

গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ কোনটি? অলিম্পিক নাকি ফুটবল বিশ্বকাপ? এই তর্ক শেষ হওয়ার নয়। অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা এবং ইতিহাসের ব্যাপ্তির কারণে অনেকেই অলিম্পিককে গণ্য করেন। কিন্তু উত্তেজনা, আয়োজন

গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ কোনটি? অলিম্পিক নাকি ফুটবল বিশ্বকাপ? এই তর্ক শেষ হওয়ার নয়। অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা এবং ইতিহাসের ব্যাপ্তির কারণে অনেকেই অলিম্পিককে গণ্য করেন। কিন্তু উত্তেজনা, আয়োজন এবং বিশ্বব্যাপী সমর্থনের কারণে ফুটবল বিশ্বকাপকে ধারণা করা হয় পৃথিবীর সবচেয়ে আকর্ষণীয় আয়োজন হিসেবে। যদি ধরে নেওয়া হয় ফুটবল বিশ্বকাপই হচ্ছে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ, তবে বলতেই হচ্ছে এবারের আয়োজন অনেক কিছুর মিশেল ছিল। ২৯ দিনের মহাযজ্ঞের পর শেষ হয়েছে এই আয়োজন। 

এই ২৯ দিন বিশ্বের কোটি কোটি মানুষ মন্ত্রমুগ্ধের মতো অবলোকন করেছেন একের পর এক খেলা, বচসা হয়েছে কে কার চেয়ে বেশি ভালো খেলোয়াড়, হয়েছে সংখ্যার বিবাদ। পত্রিকা, টেলিভিশন, সোশ্যাল মিডিয়া থেকে শুরু করে সব জায়গায় ছিল শুধু ফুটবল বিশ্বকাপের ঝড়। এমনকি আয়োজন শেষ হওয়ার পরও তার রেশ রয়ে গেছে। এই রেশ শিগগিরই কেটে যাবে। 

তবে এর স্থানে জায়গা পাবে কোন বিষয়? আমরা কি আবার ফিরে যাব ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধের আলোচনায়? নাকি আমাদের আলোচনার বিষয়বস্ত হবে কোভিডের নতুন ধরনের যে ভ্যারিয়েন্ট চায়নায় দ্রুততার সঙ্গে ছেয়ে যাচ্ছে তার ওপর? এমনও তো হতে পারে যে, আগামী ২০২৪-এ হতে যাওয়া আমেরিকার নির্বাচন নিয়ে যেখানে ট্রাম্পের ‘ট্রাম্প কার্ড’ ইলন মাস্ক ইতিমধ্যে টুইটারের সব ক্ষমতা নিজে করায়ত্ত করেছেন, সেই বিষয়ে আমাদের আলোচনা চলবে। আসছে বছর আমাদের আলোচনা হবে কী নিয়ে? 

কাতার বিশ্বকাপের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এখানে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত বিতর্ক বিরাজমান ছিল। কাতারকে বিশ্বকাপ আয়োজন একরকম হাতে ধরে দিয়ে দেওয়া, কাতারের ঐতিহ্যহীন ফুটবল, সে দেশে ইউরোপীয়দের স্বাধীনতা, মদ্যপানে নিষেধাজ্ঞা, অভিবাসী শ্রমিকদের মজুরি বৈষম্য, তাদের পুনর্বাসন তথা নিহত শ্রমিকদের সুষ্ঠু বিচারের ব্যবস্থা, সমকামীদের অধিকার আদায়, ফিলিস্তিনের পতাকা নিয়ে মাঠে উপস্থিত হওয়া, অতিমাত্রায় প্রযুক্তির ব্যবহার এবং সর্বোপরি মেসির হাতে বিশ্বকাপ তুলে দেওয়ার পূর্ব মুহূর্তে তাকে রাজকীয় এক অদ্ভুত পোশাক পরিয়ে দেওয়া। এসব কিছুর মধ্যে আগামী চার বছর কাতার মানুষের মনে কীভাবে জায়গা করে থাকবে? প্রশ্নের উত্তরটা মনে হয় যারা বিশ্বকাপ ফাইনালের একদম শেষ পর্যন্ত সম্প্রচার দেখেছেন তারা ধরতে পারবেন। 

পুরস্কার বিতরণ শেষ কাতার নির্মিত একটি সমাপনী বিজ্ঞাপন দেখানো হয়। যেখানে একজন কাতারীয় ব্যক্তির চোখে পুরো দেশের একটি উপস্থাপনা দেখানো হয়। সেখানে কাতারের ছেলে শিশুদের খেলাপ্রীতি, মরুভূমি, সমুদ্র, মাছ ধরার পদ্ধতি থেকে শুরু করে তাদের সংস্কৃতির নানা জিনিস তুলে ধরা হয়। তবে ব্যাকগ্রাউন্ডে চলতে থাকা কথা এবং টিভি পর্দার নিচের অংশে ইংরেজি সাবটাইটেল আমাদের জানান দেয় যে, ‘আপনারা কাতারকে মনে রাখবেন এর স্বপ্ন দেখার এবং স্বপ্নকে বাস্তবায়ন করার দেশ হিসেবে’, যা সম্পূর্ণভাবে সত্যই। কারণ স্বপ্নের মতোই একটা বিশ্বকাপ হয়েছে ২০২২-এ। তবে ভুলে গেলে চলবে না যে, স্বপ্নের যে অংশটুকু অস্পষ্ট (হয়েছে বা করে রাখা হয়েছে), আমাদের সাব কনশাস মন যা দেখতে চেয়ে দেখতে পারেনি সেই অমীমাংসিত বিষয়গুলো আবার ফিরে দেখার সময় হয়েছে। বিতর্ক তৈরি হওয়া বিষয়াদি কোনো রকম সমাধান ছাড়াই দাবিয়ে রাখা হয়েছে এবং এখন সময় হয়েছে সেগুলো আবার ভেবে দেখার।

গোলসংখ্যা এবং বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হওয়ার হিসাব রাখতে গিয়ে আমরা ভুলে গিয়েছি রাশিয়া আর ইউক্রেনের যুদ্ধের হিসাব। প্রায় ১০ মাস অতিবাহিত হওয়ার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জাতিসংঘের ওএইচসিএইচআরের সূত্র মতে উভয় পক্ষের প্রায় ২০,০০০ মানুষ নিহত হয়েছেন। এই যুদ্ধ এখনও চলমান আছে এবং ২০২৩ সালে এই যুদ্ধের রেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়বে তা ধারণা করা ভুল হবে না। এখন পর্যন্ত কোনো দেশ সরাসরি এই দুই দেশের সঙ্গে যুদ্ধে অংশগ্রহণ না করলেও, আমেরিকার পরবর্তী নির্বাচন বা ইসরাইলে বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর পুনরায় ক্ষমতায় আসীন হওয়া এই যুদ্ধের মোড় ঘুরিয়ে দেবে বলে অনেকেই ধারণা করছেন। 

সে ক্ষেত্রে চীন এবং ইরান তখন এই যুদ্ধে অংশগ্রণের মাধ্যমে বিশ্বযুদ্ধের আরেকটি দামামা বাজতেই পারে। কিন্তু ইরানের অভ্যন্তরীণ কোন্দল (বিশেষত মাসা আমিনির মৃত্যু এবং তার পরবর্তী আন্দোলন) আর চীনের শূন্য কোভিড নীতির পতনের পর নতুন করে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় তাদের এই যুদ্ধে অংশগ্রহণ এবং টিকে থাকার বা জয়ের সম্ভাবনাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। তবে আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে এই ভেবে যে, যে দেশই এই যুদ্ধে পরাজিত হোক না কেন সবাই তাদের সর্বোচ্চ চেষ্টা করবে প্রতিপক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার আর সে ক্ষেত্রে পুরো বিশ্বকে ক্ষতিগ্রস্ত হতে হবে। এই ক্ষতি পুষিয়ে ওঠার শক্তি অন্যান্য দেশের আছে কি না তা ভেবে দেখার সময় হয়েছে। কোভিডপরবর্তী সময়ে দেশের মানুষ হয়তো আর্জেন্টিনা বা ব্রাজিলের মাইলের পর মাইল পতাকা বানাতে পারবেন তবে সেই পতাকাতলে মুদ্রাস্ফীতি সামাল দেওয়া সম্ভব হবে বলে মনে হচ্ছে না। 

জমি কেনাবেচা এবং আইনি সহায়তা প্রদানে সিদ্ধহস্ত আমেরিকান ওয়েবসাইট ‘ল্যান্ডইনকাম’-এর তথ্য মতে, বিশ্বের অন্যতম ধনকুবের বিল গেটস তার স্ত্রী মেলিন্ডা গেটসের সঙ্গে একত্রে প্রায় ২,৬৮,০০০ একর আবাদি জমির মালিক এবং ২০২১ সালে তিনি এর সংখ্যা আরও কয়েকগুণ বাড়িয়েছেন। ধারণা করাই যায় যে, টেকনোলজিনির্ভর কোনো আবিষ্কার বা উদ্ভাবনের জন্য তার এই জমি লাগতেই পারে। তবে অন্যভাবে ভেবে দেখতে গেলে পাওয়া যাবে তিনি তার বা আমেরিকার ভবিষ্যৎ নিরাপদ করছেন এতে খাদ্যশস্য উৎপাদনের মাধ্যমে। 

জাতিসংঘের প্রধান এন্টোনিও গুতেরেস তার এক বার্তায় বলেছেন যে, ২০২২ সালের শেষ দিকে অনেক দুর্ভিক্ষের ঘোষণা আসতে পারে। আর ২০২৩ সাল এর চেয়ে খারাপ পরিস্থিতির সম্মুখীন হবে পৃথিবী। সেই জাতিসংঘেরই ফুড অ্যান্ড অ্যাগ্রিকালচার অর্গানাইজেশন মোট ৪৫টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে (যার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম) যারা খুব শিগগিরই খাদ্য সংকটে ভুগবে। এর মূল কারণ হিসেবে দেখানো হয়েছে ব্রেড বাস্কেটের ওপর আঘাত। ইতিমধ্যে তিনটি ব্রেড বাস্কেট তার কার্যক্রম চালাতে পারছে না। কী এই ব্রেড বাস্কেট? 

ব্রেড বাস্কেট হচ্ছে পৃথিবীর ছয়টি স্থান, যেখানে প্রচুর পরিমাণে খাদ্য উৎপাদন করা হয়, যার ফলে এরা অ্যাগ্রিকালচারাল পাওয়ার হাউসে পরিণত হয়েছে। স্থান ছয়টি হলো- ব্রাজিল, ক্যালিফোর্নিয়া, চায়না, কানাডা, আশিয়ান অন্তর্ভুক্ত ১০টি দেশ এবং সর্বশেষ রাশিয়া এবং ইউক্রেনের মধ্যবর্তী সেন্ট্রাল ব্ল্যাক আর্থ রিজিওন। নামগুলো পড়েই বোঝা যাচ্ছে যে প্রায় প্রতিটি স্থানই কোনো না কোনোভাবে সমস্যায় জর্জরিত। তবে সবচেয়ে চিন্তার বিষয় হচ্ছে সেন্ট্রাল ব্ল্যাক আর্থ রিজিওন নিয়ে। রাশিয়ার ভূখণ্ডে বেশি অঞ্চল থেকে উৎপাদিত গম পুরো পৃথিবীর ৩০ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করে এবং সানফ্লাওয়ারের প্রায় ৬৫ শতাংশ সরবরাহ করে। আর এই অংশে চলমান যুদ্ধের জন্য পুরো বিশ্ব ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রাশিয়ার ওপর যুক্তরাষ্ট্রের দেওয়া নিষেধাজ্ঞা এর প্রকোপ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। অন্যদিকে ইউক্রেন যুদ্ধে ব্যস্ত থাকায় গত বসন্তে (এপ্রিল-মে মাসে) বীজ বপন করতে পারেনি। এমনকি শেষ সুযোগ হিসেবে সেপ্টেম্বর-নভেম্বরে শেষ সাইকেলে তারা যুদ্ধ বিরতির আবেদন করেও সুবিধা করতে পারেনি। ফলাফল, ইউক্রেন উৎপাদনে ব্যর্থ আর রাশিয়া উৎপাদিত পণ্য রফতানিতে ব্যর্থ। 

অন্যদিকে চায়নার শূন্য কোভিড নীতি কোনো ফলাফল না নিয়ে আসায় এবং সর্বোপরি নতুন ধরনের কোভিড আক্রান্তের সংখ্যা পুনরায় বৃদ্ধি পাওয়ায় চীন সরকারকে এখন পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে চিকিৎসা ব্যবস্থায়। তিন বছরে আগের মহামারি শুরুর সময়ের পর গত বুধবার সংক্রমণে নতুন রেকর্ড তৈরি হয়েছে। নতুন করে ৩০ হাজারের বেশি মানুষ করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে চীনা প্রশাসনের একটি পরিসংখ্যানে উঠে এসেছে। চীনা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৩ নভেম্বরই করোনায় নতুন করে মোট আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ হাজার ৪৪৪ জন। এই অবস্থায় ব্রেড বাস্কেটের অন্যতম সদস্য হয়েও নিজেদের ব্যতীত বিশ্বের অন্য কোনো দেশকে তারা খাদ্য রফতানিতে সাহায্য করতে পারবে বলে মনে হচ্ছে না। এর মধ্যে ইরানের সঙ্গে এক হয়ে রাশিয়ার ইউক্রেন আগ্রাসনকে উসকে দেওয়া চীন কতটা বিশ্ব সহায়তা পাবে সে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে। 

যুদ্ধ বা মহামারির সঙ্গে যুক্ত না হলেও ব্রেড বাস্কেটের অন্য দেশগুলোর অবস্থা খুব একটা ভালো নয়। যেমন ধরা যাক ব্রাজিল। খাদ্যশস্য উৎপাদনে এবং রফতানিতে ব্রাজিল অন্যতম দেশ হিসেবে চিহ্নিত হলেও বর্তমানে এর উৎপাদন ব্যবস্থা নাজুক অবস্থায় আছে। ব্রাজিলের চাষাবাদ অনেকটাই নির্ভর অন্য দেশ থেকে আমদানি করা সারের ওপর। রাশিয়া এবং ইউক্রেন থেকে সার রফতানি বন্ধ থাকায় ব্রাজিলের মতো দেশগুলোকে বন্ধ রাখতে হচ্ছে তাদের চাষাবাদ অথবা কিনতে হচ্ছে অনেক বেশি দামে। 

সেই সঙ্গে চাষাবাদের জন্য এবং কলকারখানার যন্ত্রাংশ চালানোর জন্য জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধিও শস্যসহ সব পণ্যের দাম বাড়ার কারণ হিসেবে দেখা যাচ্ছে। তো রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুধু যুদ্ধে জড়িত দেশ বা এতে সাহায্যকারী পাশর্বর্তী দেশই নয়, বরং বিশ্বের অন্য দেশগুলোকেও বড় ধরনের সমস্যায় ফেলতে যাচ্ছে। এর ফলস্বরূপ আশিয়ান অন্তর্ভুক্ত উন্নয়শীল দেশ বা আফ্রিকার অনুন্নত দেশগুলো মারাত্মক পরিবেশ দূষণের শিকার হবে, যা সামাল দেওয়া তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

গণভবনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে আমাদের প্রধানমন্ত্রী স্পষ্টভাবেই জনগণের উদ্দেশে বলেছিলেন যে, সারা বিশ্বে দুর্ভিক্ষের পদধ্বনি দেখতে পাচ্ছি এর প্রভাব থেকে আমাদের দেশের মানুষকে বাঁচাতে এক ইঞ্চি জমিও অনাবাদি রাখা যাবে না। এই বক্তব্য অবশ্যই যাদের আবাদি জমি আছে বা জমিতে চাষ করার সুযোগ আছে তাদের জন্য বলা। তবে আপনার আমার ভুলে গেলে চলবে না যে, বিশ্বকাপ-পরবর্তী থার্টিফার্স্ট আয়োজন বা নতুন কোনো বিষয়ে ডুবে যাওয়ার আগে বিশ্বের এসব পরিস্থিতি নিয়ে ভাবার জন্য আমাদের সময় বের করে নিতে হবে। 

মস্তিষ্কের আবাদি অংশটুকু যথাযোগ্য ব্যবহার করে ভাবতে হবে এবং সেই অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিতে হবে। নয়তো এক সকালে উঠে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির জন্য অজানার উদ্দেশ্যে অভিসম্পাত করা ছাড়া কোনো উপায় থাকবে না। মনে রাখতে হবে ২০২২ ফুটবল বিশ্বকাপ ‘কাতারের’ স্বপ্ন পূরণ করেছে। কাতার বলতে কাতার সরকার, আয়োজক, এবং এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরই বোঝানো হোয়। অমীমাংসিত যেসব বিষয় কাতারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছিল তাদের নিজেদের সমাধান নিজেদেরকেই করতে হয়েছে। তাই বিশ্ব আয়োজন চলতেই থাকবে, এর মাঝে মানুষকে তার নিজের বেঁচে থাকার কারণ এবং আগত সমস্যার সমাধান খুঁজে নিতে হবে।

লেখক: শিক্ষক ও অনুবাদক