আমার চেষ্টাতেই রাজের সঙ্গে সংসার টিকেছিল : পরীমনি
তার চেষ্টাতেই রাজের সঙ্গে সংসার টিকে ছিল উল্লেখ পরীমনি আরও লেখেন, আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের এই সম্পর্ক এত দিন আমার এফোর্টে টিকে ছিলো শুধু। কিন্তু বারবার গায়ে হাত তোলা পর্যায়ে পৌঁছালে কোন সম্পর্কই আর সম্পর্ক থাকে না। স্রেফ বিষ্ঠা হয়ে যায়।
ভালোবেসে বিয়ের এক বছর না ঘুরতেই বিচ্ছেদের সুর বাজল ঢাকাই ছবির আলোচিত নায়িকা পরীমনি ও অভিনেতা শরিফুল রাজের সংসারে। পরীমনি নিজেই এ ইঙ্গিত দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি রাজকে তার জীবন থেকে মুক্তি দিয়েছেন। একটি অসুস্থ সম্পর্ক থেকে তিনি বেরিয়ে এসেছেন। শনিবার মধ্যরাতে নতুন বছরের শুরুতে ফেসবুকে দুটি ছবি শেয়ার করেন এই অভিনেত্রী। ছবিতে দেখা যাচ্ছে বিছানা, বালিশে রক্তের দাগ। ক্যাপশনে পরীমনি লিখেন, ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার। সংবাদ সম্মেলন, লোডিং’। পরে ছবিটি সকাল থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়। সবার প্রশ্ন, কী হয়েছে? কেন সংবাদ সম্মেলন করতে চাচ্ছেন পরীমনি।
এদিকে রোববার (১ জানুয়ারি) বিকেলে ফেসবুকে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে পরীমনি লেখেন, একটা সম্পর্কে পুরোপুরি সিরিয়াস বা খুব করে না চাইলে একটা মেয়ে বাচ্চা নেয়ার মতো এত বড় সিদ্ধান্ত নিতে পারে না কখনোই। আমার জীবনের সবটুকু চেষ্টা যখন এই সম্পর্কটাকে ঠিকঠাক টিকিয়ে রাখা তখনই আমাকে পেয়ে বসা হলো। যেন, শত কোটি বার যা ইচ্ছে তাই করলেও সব শেষে ওই যে আমি মানিয়ে নেই এটা রিতিমতো দারুন এক সাংসারিক সূত্র হয়ে দাঁড়ালো।
তার চেষ্টাতেই রাজের সঙ্গে সংসার টিকে ছিল উল্লেখ পরীমনি আরও লেখেন, আমি জোর দিয়ে বলতে পারি আমাদের এই সম্পর্ক এত দিন আমার এফোর্টে টিকে ছিলো শুধু। কিন্তু বারবার গায়ে হাত তোলা পর্যায়ে পৌঁছালে কোন সম্পর্কই আর সম্পর্ক থাকে না। স্রেফ বিষ্ঠা হয়ে যায়।
রাজ্যের দিকে তাকিয়ে বার বার সব ভুলে যাই। সব ঠিক করার জন্যে পরে থাকি। কিন্তু তাতে কি আসলেই আমার বাচ্চা ভালো থাকবে! না। একটা অসুস্থ সম্পর্ক এত কাছে থেকে দেখে দেখে ও বড় হতে পারে না। তাই আমি, রাজ্য এবং রাজের মঙ্গল এর জন্যেই আলাদা হয়ে গেলাম।
রাজ এখন শুধু আমার প্রাক্তন’ই না, আমার ছেলের বাবাও। তাই রাজ্যের বাবার সন্মান রাখতে পাবলিকলি আর বাকি কিছু বলছি না আমি। তবে আমার উপর তার আর তার পরিবারের কোন অসুস্থ আচরন বা হার্মফুল কিছু করার চেষ্টা করলে আমি কঠোর সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হবো।
সম্মানিত গণমাধ্যমকর্মী যারা রয়েছেন আপনারা নিশ্চই আমার মানসিক অবস্থা বুঝতে পারবেন আশা করছি। আমাকে একটু সময় দিন। শারীরিক ভাবেও আমি বিধ্বস্ত। রাজ্য তার বাবা মাকে একসাথে নিয়ে বড় হতে পারলো না এর থেকে কষ্টের আর কি হতে পারে আমার কাছে!
