10:35:26 am
Wednesday, June 24

‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ সিনেমার আপত্তিকর দৃশ্য নিয়ে মামলা

উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ারের ‘রোমিও জুলিয়েট’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছিল ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’। এটি মুক্তি পায় ১৯৬৮ সালে। হলিউডের সেরা ১০টি সিনেমার মধ্যে এটি অন্যতম। এতে অভিনয় করেছিলেন অভিনেতা লিওনার্ড হোয়াইটিং ও অভিনেত্রী অলিভিয়া হাসি।

উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ারের ‘রোমিও জুলিয়েট’ অবলম্বনে নির্মিত হয়েছিল ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’। এটি মুক্তি পায় ১৯৬৮ সালে। হলিউডের সেরা ১০টি সিনেমার মধ্যে এটি অন্যতম। এতে অভিনয় করেছিলেন অভিনেতা লিওনার্ড হোয়াইটিং ও অভিনেত্রী অলিভিয়া হাসি। ওই বছর চার বিভাগে অস্কারের জন্য মনোনীত হয় প্রখ্যাত পরিচালক ফ্রাঙ্কো জেফিরলির এই সিনেমা। এবার এ সিনেমার একটি দৃশ্য নিয়ে মামলা হলো। 

সিনেমাটি যখন মুক্তি পায় তখন প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করা লিওনার্ড হোয়াইটিংয়ের বয়স ১৬ এবং অলিভিয়ার ১৫। সে সময় বক্স অফিসে ব্যবসা করলেও একটি একটি দৃশ্য নিয়ে তুমুল সমালোচনার মুখে পরেন পরিচালক ফ্রাঙ্কো। সিনেমা মুক্তির প্রায় ৫৫ বছর পর এ দৃশ্য নিয়ে বিপাকে পড়েছে সিনেমাটির পরিবেশক প্রতিষ্ঠান প্যারামাউন্ট পিকচার্স। কারণ লিওনার্ড এবং অলিভিয়া প্রতিষ্ঠানটির বিরুদ্ধে করেছেন মানহানি মামলা।

হলিউডের গণমাধ্যম জানায়, গত ৩০ ডিসেম্বর লিওনার্ড-অলিভিয়া যুক্তরাষ্ট্রের সান্তা মনিকার উচ্চ আদালতে মানহানির মামলা দায়ের করেছেন। তাদের অভিযোগ, প্যারামাউন্ট পিকচার্স শিশু-কিশোরদের বিবস্ত্র ছবি পরিবেশন করেছে। এ সিনেমা মুক্তির পর থেকে মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন তারা। এ জন্য তারা অনেক কাজের সুযোগ হারিয়েছেন। ‘রোমিও অ্যান্ড জুলিয়েট’ সিনেমায় দারুণ পারফরম্যান্স করার পরও তাদের ক্যারিয়ার থমকে যায়।

ছবিটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান প্যারামাউন্ট পিকচার্সের বিরুদ্ধে ৫০ কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ চেয়ে মামলা ঠুকে দিয়েছেন হোয়াইনিং ও হাসি। তাদের অভিযোগ, ছবিটিতে তাদের দিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে নগ্ন দৃশ্যে অভিনয় করানো হয়েছে, যা যৌন হেনস্তার শামিল।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে—চিত্রনাট্য অনুযায়ী সিনেমাটিতে রোমিও এবং জুলিয়েটের একটি বেডরুমের দৃশ্য ছিল। ফলে লিওনার্ড-অলিভিয়া জানতেন তাদের ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে কাজ করতে হবে। কিন্তু তাদের বলা হয়েছিল, কোনো দৃশ্যেই তাদের বিবস্ত্র দেখানো হবে না। তারাও জানিয়েছিলেন বিবস্ত্র হয়ে তারা শট দেবেন না। প্যারামাউন্টের পক্ষ থেকেও জানানো হয়েছিল, শরীরের রঙের আন্ডারওয়্যার পরিয়েই দৃশ্যের শুট করানো হবে। কিন্তু শুটিংয়ের সময় সবকিছু বদলে দেওয়া হয়। শুটিংয়ের পর অলিভিয়া-লিওনার্ডকে জানানো হয়েছিল, যে বিবস্ত্র দৃশ্যের শুটিং করা হয়েছে, তাতে তাদের মুখ দেখানো হবে না। কিন্তু বাস্তবে ঘটেছে তার উল্টোটা।

এমন একটি সিনের জন্য যে সবচেয়ে বেশি দায়ী সে সিনেমার পরিচালক ফ্রাঙ্কো জেফিরলি। তিনি ২০১৯ সালে মারা গেছেন। অন্যদিকে প্যারামাউন্ট পিকচার্স এ বিষয়ে এখনও কোনো মন্তব্য জানায়নি।