02:40:15 pm
Wednesday, June 24

সরকার কোর্টকে ব্যবহার করছে না: অ্যাটর্নি জেনারেল

অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন বলেছেন, বিএনপি নেতাদের জামিন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বহাল রাখাই প্রমাণ হয়েছে সরকার কোর্টকে ব্যবহার করছে না।

অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন বলেছেন, বিএনপি নেতাদের জামিন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগে বহাল রাখাই প্রমাণ হয়েছে সরকার কোর্টকে ব্যবহার করছে না। বিএনপির অন্যতম শীর্ষ দুই নেতাকে হাইকোর্টের দেওয়া রায় আপিলে বহাল থাকার পর এই মন্তব্য করেন তিনি। রোববার সকালে নিজ কার্যালয়ে এই নিয়ে কথা বলেন অ্যাটর্নি জেনারেল।


সকালে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলটির স্থায়ী কমিটির অন্যতম সদস্য মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন বহাল রেখে এদিন আদেশ দেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। আগামী ৩০ দিনের মধ্যে হাইকোর্টকে রুল নিষ্পত্তির নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।
প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে চার বিচারপতির আপিল বেঞ্চ রোববার এ আদেশ দেন। আদেশের ফলে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মির্জা আব্বাসের কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন বিএনপির আইনজীবীরা। নেতাদের পক্ষে আদালতে শুনানি করেন আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। এ সময় আদালতে দলীয় আইনজীবীদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন এ জে মোহাম্মদ আলী, মাহবুব উদ্দিন খোকন, কায়সার কামাল, রুহুল কুদ্দুস কাজল। আর রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অ্যাটর্নি জেনারেল আবু মোহাম্মদ (এএম) আমিন উদ্দিন। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল এস এম মুনীর, শেখ মোহাম্মদ মোরশেদ, মেহেদী হাছান চৌধুরী ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।


প্রসঙ্গত, গত ৪ জানুয়ারি বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আবেদনের শুনানির জন্য রোববার দিন ধার্য করেন চেম্বার আদালত। আদেশে রোববার পর্যন্ত মির্জা ফখরুল-আব্বাসের আইনজীবীরা তাদের মুক্তির জন্য বিচারিক আদালতে জামিননামা দাখিল করতে পারবেন না বলে বলা হয়। আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম এ আদেশ দেন। গত বুধবার সকালে মির্জা ফখরুল ও মির্জা আব্বাসকে হাইকোর্টের দেওয়া জামিন স্থগিত চেয়ে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ।


এর আগে গত ৮ ডিসেম্বর রাতে নিজ নিজ বাসা থেকে ফখরুল ও আব্বাসকে তুলে আনে ডিবি পুলিশ। দুজনকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে। পরদিন তাদের কারাগারে পাঠানো হয়।