02:55:52 pm
Tuesday, August 25

বিতর্কিতরাই আসছেন থানা ও ওয়ার্ড কমিটির নেতৃত্বে

বিতর্কিত ব্যক্তিরা ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আওতাধীন থানা ও ওয়ার্ডের নেতৃত্বে আসছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এসব থানা ও ওয়ার্ডের সম্মেলন হলেও দীর্ঘদিন ধরে কমিটি দেওয়া হয়নি। তবে সম্প্রতি কমিটি দেওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছে মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ।

দলীয় সূত্র বলছে, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী ও সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির তাদের নিজস্ব বলয় ঠিক রাখতে বিতর্কিতদের দিয়ে কমিটি করতে যাচ্ছেন। এতে অসন্তোষ দেখা দিয়েছে সংগঠনে। ওয়ার্ড-ইউনিট এবং থানা সম্মেলনে কমিটি গঠনের জন্য ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগ সাব কমিটি করেছিল। সাব কমিটিগুলো সফলভাবে সম্মেলন করলেও এখন কমিটি গঠনের তাদের মতামত নেওয়া হচ্ছে না। 

পল্টন থানার ১৩ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি হিসেবে প্রস্তাব করা হয়েছে ফ্রিডম মানিকের ঘনিষ্ঠ শিষ্য, শান্তিনগরে সাদা এবং তৎকালীন ১১ নম্বর ওয়ার্ড স্বেচ্ছাসেবক লীগ নেতা কাওছার হত্যার অন্যতম এজাহারভুক্ত আসামি আলী রেজা খান রানাকে। এ সময় ফ্রিডম মানিকের ঘনিষ্ঠ শিষ্য এবং সিদ্ধেশ্বরী কলেজে ছাত্রদলের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক মুশফিকুল জামিল কাকনের ক্যাডার হিসেবে পরিচিত। তিনি ২০১৩ সালে র‌্যাবের হাতে অবৈধ অস্ত্র, ৮৬ রাউন্ড গুলি এবং ৪০০ ইয়াবাসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর ঘনিষ্ঠ লোক হিসেবে পরিচিত আলী রেজা খান নিজেকে পল্টনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হিসেবে পরিচয় দিচ্ছেন।

শাহবাগ থানা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সৈয়দ মোশাররফ হোসেন সাধারণ সম্পাদক হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন। শাহবাগ এলাকার ডিশ ব্যবসায়ী থেকে উত্থান হওয়া এ নেতা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের ঘনিষ্ঠজন হিসেবে পরিচিত। তার বিরুদ্ধে আজিজ সুপার মার্কেটের জায়গা দখল করে হোটেল ব্যবসা, সাধারণ ব্যবসায়ীদের মারধর, অবৈধ বিদ্যুৎ সংযোগ ব্যবহার, ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। 

শাহবাগের নকল ওষুধ বিক্রির সিন্ডিকেটের অন্যতম হোতা হিসেবেও পরিচিতি তিনি এবং মাদক ব্যবসায় সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। শুধু তাই নয়, তার নামে হত্যা মামলাসহ বিভিন্ন ধরনের অপকর্মের জিডি রয়েছে শাহবাগ ও ধানমন্ডি থানায়।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে সৈয়দ মোশাররফ হোসেন সময়ের আলোকে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। রাজনীতিতে আমার বিরোধীরা এসব অভিযোগ করেন।

এ ওয়ার্ডে সভাপতির পদে দৌড়ে থাকা বর্তমান সভাপতি জিএম আতিকুর রহমানের বিরুদ্ধেও অভিযোগের শেষ নেই। বিগত সম্মেলনে সভাপতি হওয়ার পর থেকেই তিনি পোড়া মার্কেট, পীর ইয়ামেনী মার্কেট, ট্রেড সেন্টার, খদ্দর মার্কেট, বঙ্গ মার্কেটে নামে-বেনামে অসংখ্য দোকান করেছেন। মুক্তিযোদ্ধা ক্লাবের আলী আহমদকে কমিটিতে রাখার কারণে ক্যাসিনোর অর্থ পেতেন তিনি।

তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করে তিনি সময়ের আলোকে বলেন, আমি এখন নামাজে যাচ্ছি, পরে কথা বলব। তারপরেও আমার বিরুদ্ধে যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে, একটারও প্রমাণ দিতে পারবে না কেউ। আমাকে রাজনীতিতে দমাতে না পেরে অনেকে এসব অভিযোগ করছেন।

৩৭ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হতে চান ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর ছেলে আহমেদ ইমতিয়াজ গৌরবের বন্ধু এবং সদরঘাটের মূর্তিমান আতঙ্ক জাবেদ হোসেন মিঠু। ওই এলাকায় যেকোনো ব্যবসা করতে হলে মিঠু ও তার ভাই যুবলীগ থেকে বহিষ্কৃত জাভেদ হোসেন পাপনের অনুমতি নিতে হয়। অন্যথায় ব্যবসা বন্ধ অথবা অমানসিক নির্যাতন করা হয় ব্যবসায়ীদের। এ নিয়ে পত্রপত্রিকা ও টেলিভিশনের খবরে একাধিকবার প্রধান শিরোনাম হয়েছেন ক্ষমতাধর এই দুই ভাই।

চকবাজার থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে ভাগিনা বখতিয়ার হোসেনকে আনতে চান তার মামা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির। বখতিয়ার হোসেন একসময় যুবদল করতেন। তার বিরুদ্ধে মাদক ব্যবসা ও চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। একাধিকবার পুলিশের হাতে গ্রেফতারও হয়েছেন। এসব বিষয়ে বখতিয়ারের বক্তব্য জানতে তাকে একাধিবার ফোন করলেও তিনি কল ধরেননি। এ থানায় শাহীন খান নামেও একজন সাধারণ সম্পাদক হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন। তিনি মহানগরের শীর্ষ এক নেতাকে এ জন্য মোটা অঙ্কের টাকাও দিয়েছেন বলে দলীয় নেতাকর্মীরা বলাবলি করছেন।

যাত্রাবাড়ী থানার ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডে সভাপতি পদপ্রার্থী গিয়াস উদ্দিস গেসু এলাকায় মাদক ব্যবসায়ী, চাঁদাবাজ ও দখলদার হিসেবে পরিচিত। বিলুপ্ত যাত্রাবাড়ী থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশিদ মুন্নার লোক হিসেবে দাপিয়ে বেড়ান পুরো যাত্রাবাড়ী। লুঙ্গি পরে তার লাইন্সেস করা পিস্তল দিয়ে এলাকার মানুষকে ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে। এ বিষয়ে গিয়াস উদ্দিস গেসু সময়ের আলোকে বলেন, অভিযোগগুলোর একটাও সত্য নয়। তবে আপনি আসেন দেখা করি।

আরেক সভাপতি প্রার্থী জাহিদ হাসান জুয়েলের বিরুদ্ধেও এলাকায় মাদক ব্যবসা, ফুটপাথে চাঁদাবাজির অভিযোগ রয়েছে। সভাপতি হতে মোটা অঙ্কের অর্থ লগ্নি করেছেন বলে স্থানীয় নেতাকর্মীরা অভিযোগ করেছেন। সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী আবুল কালাম অনু কাউন্সিলের বিরুদ্ধে কেউ নতুন বাড়ি নির্মাণ কিংবা রাস্তা কাটলে তার কাছ থেকে নিজস্ব বাহিনী দিয়ে টাকা আদায়, হয়রানি করার অভিযোগ রয়েছে। তার আস্কারায় মাদকের বড় একটা সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে এ এলাকায়।

৪৯ নম্বর ওয়ার্ডে সভাপতি হতে চান রাগিব আল আহসান। সুদের ব্যবসা ও মাদক কারবারি হিসেবে পরিচিত তিনি। জাতীয় পার্টির সক্রিয় এ নেতা মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক এফএম শরীফুলের মাধ্যমে মোটা অর্থ লগ্নি করে মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফীর মাধ্যমে সভাপতি পদ নিশ্চিত করতে চান বলে অভিযোগ উঠেছে।

আরেক সভাপতি প্রার্থী মো. মাসুম। বাবা জামায়াতের রোকন ছিলেন। নিজেও জামায়াতের সঙ্গে গোপন সখ্য রেখে চলেছেন। স্থানীয় এমপি মনিরুল ইসলাম মনুর মাধ্যমে সভাপতির পদ নিশ্চিত করতে লবিং চালিয়ে যাচ্ছেন।

৬০ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হতে চান ৬১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার শনি ভূষণ দত্ত। তিনি ঢাকা মহানগর দক্ষিণ সভাপতি মন্নাফীর ঘনিষ্ঠ লোক হিসেবে এ পদে আসছেন বলে গুঞ্জন রয়েছে। একই ধরনের অভিযোগ সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী সফিকুল ইসলাম সফির বিরুদ্ধেও। তিনিও ৬১ নম্বর ওয়ার্ডের ভোটার। 

সভাপতি প্রার্থী জাহিদ চৌধুরী আওয়ামী লীগের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত ছিলেন না। মন্নাফীর লোক হিসেবে পরিচিত হওয়ায় তার পদ অনেকটাই নিশ্চিত বলে জানা গেছে। ৬১ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি হতে চান ইস্রাফিল সরদার। তার ছোট ভাই বাদল জামায়াতের রোকন। ইস্রাফিল অতীতে জামায়াতের লিফলেট বিতরণ করতে গিয়ে গ্রেফতার হন এবং জেলও খেটেছেন। তবে ইস্রাফিলের দাবি, সব অভিযোগ মিথ্যা। যারা সভাপতি প্রার্থী হতে চান, তারাই এসব প্রপাগান্ডা ছড়াচ্ছেন।

এ ওয়ার্ডের আরেক সভাপতি প্রার্থী বদরুদ্দিন আহমেদ সানা ২০২০ সালে সিটি কপোরেশন নির্বাচনে দল সমর্থিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে ট্রাক্টর মার্কায় বিদ্রোহী হিসেবে ভোটে অংশ নেন। মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেনকে ম্যানেজ করে আবু আহমেদ মন্নাফীর কোটায় বিদ্রোহী হয়েও গুরুত্বপূর্ণ পদ বাগিয়ে নিতে চান।

৬৩ নম্বর ওয়ার্ডে সাইফুল মৃধা রাজনীতিতে সক্রিয় না থেকেও এমপি মনুর আস্থাভাজন হিসেবে সভাপতি হতে চান। আর সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী নাঈমের বিরুদ্ধে রয়েছে ভূমি দখলের মামলা। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের লোক হিসেবে এলাকায় দাপট দেখিয়ে চলেন।

৬৪ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী আশফাকুর রহমান ভুট্টো ৭০ কোটি টাকার সাপের বিষসহ গ্রেফতার হয়েছিলেন। বিএনপি ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় সালাউদ্দিন আহমেদের আস্থাভাজন নেতা শাহীনের লোক হিসেবে এলাকায় চাঁদাবাজি, বাড়ি দখল, নতুন বাড়ি করলে সেখানে চাঁদাবাজি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের এক সাংগঠনিক সম্পাদককে ‘ম্যানেজ’ করার মাধ্যমে সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবিরের আস্থা অর্জন করেছেন। তিনিও পদের দৌড়ে এগিয়ে রয়েছেন। আরেক সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী মঈনুদ্দিন বাবু রাজনৈতিক কর্মসূচির জড়িত নন। তাই পদ-পদবিও নেই। তিনি নেতা হতে চান। ৬৮ নম্বরে সভাপতি প্রার্থী নঈম খন্দকার রাজনীতিতে সক্রিয় না থাকলেও এবার বিশেষ কারণে পদ পাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

৬৯ নম্বর ওয়ার্ডে সভাপতি হতে চান আবদুল আউয়াল। এক সময়ে যুবলীগের এ সভাপতি দীর্ঘদিন রাজনীতিতে নিষ্ক্রিয়। বর্তমানে তাবলিগ জামাত ও ব্যবসায় মনোযোগী। টাকার বিনিময়ে এ পদে আসার দৌড়ে রয়েছেন। এ ওয়ার্ডে সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী ইতালির নাগরিক মনির হোসেন লিটন। ২০০৩ সাল থেকে তার পরিবারও ইতালিতে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছে। তিনি মহানগরের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মিরাজ হোসেনের লোক হিসেবে পরিচিতি। 

সাধারণ সম্পাদক পদ নিশ্চিত বলে তার অনুসারীদের বলে বেড়ান। আরেক সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী মিজানুর রহমান মিজান মালয়েশিয়ায় বসবাস করেন। ঢাকায় তার রাজনীতিতে প্রভাব না থাকলেও সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী। তিনি হুমায়ুন কবিরের লোক হিসেবে এ পদে দায়িত্ব পাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।
ডেমরা থানার সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদ চান কাউন্সিলর আতিকুর রহমান আতিক। তার বড় ভাই ডেমরা থানা বিএনপির সভাপতি ছিলেন। পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত বলে জানা যায়। তবে তিনি বিগত নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সমর্থনে কাউন্সিলর নির্বাচিত হন। 

এ প্রসঙ্গে আতিক সময়ের আলোকে বলেন, আমরা বড় ভাই শখের বসে রাজনীতি করতেন। তিনি একসময় বিএনপির রাজনীতি করতেন। আমার বাবা একজন মুক্তিযোদ্ধা। যারা বলছেন, পুরো পরিবার বিএনপির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত, সেটা মিথ্যা কথা। শুধু বড় ভাই বিএনপির রাজনীতি করতেন। তিনি এখন প্রবাসী।

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক দুই পদেই আবেদন করেছেন নেহরিন মোস্তফা দিশি। মূলত তিনি ঢাকা-৫ আসনে এমপি হতে চান। অথচ শাহজাহানপুরে তার পুরো পরিবার স্থায়ীভাবে বসবাস করে। ১১ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক প্রার্থী বিএম ফরহাদ অংকুর এবং রাশেদুল আলম রিংকু দুজনেই ক্যাসিনো খালেদের লোক হিসেবে পরিচিত। 

মতিঝিল থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি হওয়ার দৌড়ে রয়েছেন ফকিরাপুল ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক সাব্বির আহমেদ। যে ক্লাবের সভাপতি ছিলেন ক্যাসিনো খালেদ ভূঁইয়া। শ্যামপুর থানায় সাধারণ সম্পাদক প্রার্থিতার লবিং করছেন গাফফার দেওয়ান রাজীব। তার বিরুদ্ধে স্থানীয় মাদক ব্যবসায়ীদের পৃষ্ঠপোষকতা, ধোলাইপাড় থেকে জুরাইন পর্যন্ত সড়কে অবৈধ দোকান বসিয়ে মাসোহারা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে।

এসব অভিযোগ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা দক্ষিণ মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আবু আহমেদ মন্নাফী সময়ের আলোকে বলেন, কমিটি করব কি করব না, এটা আপনাকে কৈফিয়ত দেব কেন? এটা তো আমি শেখ হাসিনাকে বলব। তবে কমিটি হলে অবশ্যই স্বচ্ছলোক আসবে। আপনি যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগের কথা বলছেন, এগুলো দেখেশুনে কমিটি দেওয়া হবে। ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপসের সঙ্গে কথা বলব। তিনি যেমন নির্দেশনা দেবেন, থানা ও ওয়ার্ড কিমিটি সেভাবে করা হবে।

আর ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুর কবির অভিযোগ প্রসঙ্গে বলেন, আমরা যাচাই-বাছাই করছি। আপনি যাদের নাম বলেছেন, এর বাইরে ভালো লোক দেন। তবে বায়াস হয়ে লিখবেন না। টেলিফোনে এসব কথা হয় না। আপনি একসময় আসেন, তখন কথা হবে।

Share this post

Join the conversation