ক্যামেরার সামনে যাওয়ার জন্য একদম প্রস্তুত না : পরীমণি
আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণি অভিনীত সিনেমা ‘অ্যাডভেঞ্জার অব সুন্দরবন’ মুক্তি পেয়েছে। এই ছবির প্রচারণায় স্কুলে স্কুলে দৌড়ঝাঁপও করেছেন তিনি। এই সিনেমা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে সময়ের আলোর সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি। সাক্ষাৎকার নিয়েছেন রবিউল ইসলাম।
‘অ্যাডভেঞ্জার অব সুন্দরবন’ সিনেমায় কেমন সাড়া পাচ্ছেন?
সিনেমাটি যারাই দেখেছেন সবার পজিটিভ রি-অ্যাকশন পেয়েছি। অন্য সিনেমাগুলোর মতো না ‘অ্যাডভেঞ্জার অব সুন্দরবন’। একেবারে ভিন্ন ধরনের। এই সিনেমা না দেখলে দর্শকরা অনেক কিছু মিস করবে। এমনকি রাজ দেখার পর বলেছে দারুণ একটা সিনেমা হয়েছে। কারণ এই সময় শিশুতোষ চলচ্চিত্র নির্মাণ করা অনেক সাহসের ব্যাপার। এর পুরো কৃতিত্ব পরিচালকের।
এই সিনেমার শুটিং সুন্দরবনে হয়েছিল। শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানতে চাই।
করোনার সময় আমরা অনেক দিন সুন্দরবনে আটকে ছিলাম। খাবার থেকে শুরু করে সবকিছুতেই খুব কষ্ট হয়েছিল। আর প্রতিটা দৃশ্য করতে অনেক কষ্ট হয়েছে। জুয়েল ভাই সুন্দর করে শুটিং শেষ করতে পেরেছেন। কাজটা সুন্দর করে করতে পেরেছি, এটাই বড় পাওয়া। আর এমন গল্পে এমন লোকেশনে কাজ করে আসা খুব কঠিন।
সিয়ামের সঙ্গে অন স্ক্রিন রসায়ন কেমন?
সিয়াম তো আমার বন্ধু। বিশ্বসুন্দরী করার পর তার সঙ্গে আরও ভালো বন্ধুত্ব হয়েছে। এখন তার সঙ্গে অনস্ক্রিন রসায়ন আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
কবে নাগাদ নতুন কাজের শুটিংয়ে ফিরবেন?
ক্যামেরার সামনে যাওয়ার জন্য একদম প্রস্তুত না। আমাকে আরও একটু সময় দিতে হবে। নিজেকে প্রস্তুত করে সুন্দর একটা কাজ নিয়ে দর্শকের সামনে হাজির হব।
সংসার, সিনেমা একসঙ্গে কীভাবে সামলান?
আমি নারী, আমি সব পারি। আমাকে পারতে হবে। আমাকে সংসার সামলানো ও বাচ্চাকেও লালন-পালন করতে হবে। আর কাজের জায়গাও ঠিক রাখতে হবে।
সাংসারিক জীবন কেমন চলছে?
আমরা ভালো আছি। স্বামী-সন্তান নিয়ে সবকিছু ঠিক আছে। মাঝে একটু অভিমান-অভিযোগ ছিল। সেগুলো কাটিয়ে এখন আলহামদুলিল্লাহ ভালো চলছে।
ছেলে রাজ্যকে নিয়ে কী ভাবনা?
এই প্রশ্ন অনেকে করে। এটা আমার পক্ষে বলা সম্ভব না। সে কী হতে চায় বা কী হবে সেটা আরেকটু বড় হলেই বোঝা যাবে। তবে আমি তাকে ভালো মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। সবাই যেন তাকে ভালোবাসে।
বর্তমান ব্যস্ততা
‘অ্যাডভেঞ্জার অব সুন্দরবন’ সিনেমার প্রচারণা ও স্বামী-সন্তান নিয়েই যত ব্যস্ততা।

Join the conversation