ডিআর কঙ্গোতে বন্যা ও ভূমিধসে নিহত ১২০
ডিআর কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় ভারী বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১২০ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
ডিআর কঙ্গোর রাজধানী কিনশাসায় ভারী বৃষ্টিপাতে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে অন্তত ১২০ জন নিহত হয়েছেন। দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। বন্যায় কিনশাসার অনেক এলাকা কর্দমাক্ত পানিতে তলিয়ে গেছে। ঘরবাড়ি ও সড়ক ভূমিধসের কারণে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। এসব সড়কের মধ্যে কিনশাসার সাথে প্রধান সমুদ্রবন্দর মাতাদিকে সংযুক্তকারী এন-১ মহাসড়কও আছে।কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রীর দফতর জানিয়েছে, এন-১ মহাসড়ক তিন থেকে চার দিন বন্ধ থাকতে পারে।
এনগালিমা এলাকার মেয়র আলিদওর শিবান্দা জানিয়েছেন, সেখানে তিন ডজনেরও বেশি লোক নিহত হয়েছেন। মৃতদেহ এখনও গণনা করা হচ্ছে।
দেশটির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জিন-জ্যাক এমবুঙ্গানি এমবানদা ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম রয়টার্সকে জানিয়েছেন, তার মন্ত্রণালয়ের গণনায় ১৪১ জনের মৃত্যুর হিসাব পাওয়া গেছে। তবে নিহতের সংখ্যাটি অন্যান্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যের সঙ্গে ক্রস-চেক করে দেখতে হবে। পোস্ট করা ছবিতে বন্যার ক্ষয়ক্ষতির চিত্র কঙ্গো সরকারের মুখপাত্র প্যাট্রিক মুয়ায়ার টুইটারে পোস্ট করেছেন।
কঙ্গোর প্রধানমন্ত্রী এবং প্রাদেশিক গভর্নর বন্যা কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন। সেই সঙ্গে স্থানীয় কর্মকর্তারা জরুরি অবস্থা মোকাবিলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং অন্যান্য রাষ্ট্রীয় সংস্থার প্রতিনিধিদের সাথে দেখা করবেন বলে জানা গেছে।
কিনশাসায় প্রায় ১ কোটি ২০ লাখ মানুষ বসবাস করে। কঙ্গো নদীর পাড়ের মৎসজীবীদের গ্রাম কিনশাসা এখন প্রায় দেড় কোটি বাসিন্দা নিয়ে আফ্রিকার বৃহত্তম মেগাসিটিগুলোর একটি হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুর্বলভাবে নিয়ন্ত্রিত দ্রুত নগরায়ন শহরটিকে প্রবল বৃষ্টির পর আকস্মিক বন্যার ক্রমবর্ধমান ঝুঁকির মুখে ফেলছে। জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এখন এখানে প্রায়ই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে।
২০১৯ সালে ভারী বৃষ্টির পর কিনশাসার নিচু এলাকাগুলো ডুবে গিয়ে এবং কিছু ভবন ও সড়ক ধসে পড়ে অন্তত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়।
- Tags:
- ভূমিকম্প
- ডিআর কঙ্গো
- ভূমিধস
- কঙ্গো
