07:19:19 pm
Tuesday, August 25

চসিকের প্রকল্প পরিচালককে কার্যালয়ে ঢুকে মারধর, গ্রেফতার ৩

চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন অফিসে ঢুকে প্রকৌশলীকে পেটানোর ঘটনায় ৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এছাড়া এ ঘটনায় ৯ জনের নাম উল্লেখসহ ২০ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। রোববার (২৯ জানুয়ারি) বিকেলে নগরের টাইগারপাস অস্থায়ী কার্যালয়ের চতুর্থ তলায় প্রকল্প পরিচালক গোলাম ইয়াজদানীর কার্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।

সূত্রে জানা যায়, বিকেল পৌনে ৪টায় টাইগারপাসের অস্থায়ী প্রধান কার্যালয়ে নিজের দপ্তরে আসেন প্রকল্প পরিচালক মো. গোলাম ইয়াজদানী। এ সময় প্রায় ২০ থেকে ২৫ জন ঠিকাদার অনুমতি ছাড়া তার কক্ষে ঢুকে  কথা বলার এক পর্যায়ে তাকে কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। অফিস সহকারী তিলক দে তাকে রক্ষা করতে গেলে তিনিও মারধরের শিকার হন। পরে ঠিকাদাররা প্রকল্প পরিচালকের নামফলক ও টেবিলের কাচ ভেঙে ফেলেন। এরপর ঠিকাদাররা সেখান থেকে চলে যান।

এ বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক গোলাম ইয়াজদানীর জানান, ২০ থেকে ২৫ জন ঠিকাদার হঠাৎ তার কক্ষে ঢুকে মারধর শুরু করে। এসময় তাকে গালিগালাজও করা হয়। ভাঙচুর করা হয় কক্ষ ও বাইরের নেমপ্লেট। তার অভিযোগ,পছন্দমতো কাজ না দেয়ায় ঠিকাদাররা এ হামলা চালিয়েছে। ঘটনার খবর পেয়ে সেখানে আসেন, সিটি মেয়র ও পুলিশ কর্মকর্তারা। 

জানা গেছে, মো. গোলাম ইয়াজদানী স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী। গত বছরের ১৪ আগস্ট তাকে ‘চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের আওতায় এয়ারপোর্ট রোডসহ বিভিন্ন সড়কসমূহ উন্নয়ন ও গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের পরিচালক হিসেবে নিয়োগ দিয়ে অফিস আদেশ জারি করা হয়।

সিটি মেয়র রেজাউল করিম চৌধুরী বলেন, ’প্রকল্প পরিচালকের কক্ষে হামলা কোনোভাবেই মেনে নেয়া হবে না। সিটি কর্পোরেশনে এসে টিভি, গ্লাস ভেঙে ফেলা হয়েছে। আমরা দ্রুত ব্যবস্থা নেব। যে ছেলেটার নেতৃত্বে এসব হয়েছে তার নাম সাহাবউদ্দীন।

তিনি আরও জনান, স্বচ্ছতার মাধ্যমে টেন্ডার প্রক্রিয়ার কাজ চলছে। ভয়-ভীতি দেখিয়ে কাজ বাগিয়ে নেয়া কোনোভাবেই সম্ভব নয়। হামলার সঙ্গে জড়িতরা চসিকের ঠিকাদার হলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা ও কালো তালিকাভুক্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।

চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সন্তোষ কুমার চাকমা বলেন, মারধরের ঘটনায় মামলা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাকিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত আছে।

Share this post

Join the conversation